আল্লাহর পথে ব্যয় করার ফযিলত স্মরণ করুন।
সূত্রঅরাজনৈতিক • অলাভজনক • ইসলামি দাতব্য ফাউন্ডেশন
ইনসাফভিত্তিক সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে খিদমাতুল উম্মাহ
একটি ইনসাফভিত্তিক, দয়াশীল ও ঈমানভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে আমরা কাজ করি শূরা, জবাবদিহিতা এবং প্রকল্পভিত্তিক দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে।
দ্বীনি স্মরণিকা
দান, ইখলাস ও তাকওয়ার আলো
এক নজরে
দায়িত্বশীল দান, স্বচ্ছ হিসাব, স্থায়ী কল্যাণ
ফাউন্ডেশন পরিচিতি
পরিচয়, লক্ষ্য, মূলনীতি ও নীতিমালা
খিদমাতুল উম্মাহ-এর কাজ শুধু দান-সদকা নয়; কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে ইনসাফভিত্তিক, সচেতন ও দায়িত্বশীল সমাজ গড়ে তোলাই আমাদের মূল ফিকির।
দ্বীনভিত্তিক সামাজিক ও সেবামূলক চ্যারিটি ফাউন্ডেশন
খিদমাতুল উম্মাহ একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক, দ্বীনভিত্তিক সামাজিক ও সেবামূলক চ্যারিটি ফাউন্ডেশন। আমরা বিশ্বাস করি, সমাজ পরিবর্তনের জন্য অর্থের পাশাপাশি ঈমান, নৈতিকতা, শিক্ষা, নেতৃত্ব, সামাজিক দায়িত্ববোধ ও সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
আল্লাহর সন্তুষ্টি ও স্থায়ী কল্যাণ
- মানবসেবা ও দ্বীনি শিক্ষা বিস্তার
- ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠন
- গ্রামের মানুষের মাঝে ঐক্য সৃষ্টি
- যুবসমাজকে দ্বীনি ও সামাজিক কাজে সম্পৃক্ত করা
- দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই কল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন
কুরআন, সুন্নাহ, শূরা ও আমানতদারিতা
সমাজ পরিবর্তনে সবাই অংশীদার
আমাদের লক্ষ্য এমন একটি গ্রাম গড়ে তোলা, যেখানে দ্বীনি শিক্ষা শক্তিশালী হবে, সমাজ ইনসাফ ও ন্যায়বিচারে পরিচালিত হবে, যুবকরা মানবসেবায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে এবং দান হবে আমানতদারিতার সঙ্গে।
সাংগঠনিক বৈশিষ্ট্য
ব্যক্তিনির্ভর নয়, সিস্টেমনির্ভর পরিচালনা
শূরাভিত্তিক সিদ্ধান্ত, জিম্মাদারভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টন, স্বচ্ছ হিসাব-নিকাশ এবং দাতাদের নিয়মিত প্রতিবেদন প্রদানের মাধ্যমে সংগঠন পরিচালিত হবে।
- শূরাভিত্তিক সিদ্ধান্ত: গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সম্মিলিত মাশওয়ারা।
- জিম্মাদারভিত্তিক দায়িত্ব: প্রতিটি প্রকল্পে নির্দিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তি।
- নিয়মিত প্রতিবেদন: দাতা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সামনে কার্যক্রম ও হিসাব উপস্থাপন।
- নতুন নেতৃত্ব: প্রতি বছর নতুন শূরা কমিটি, আমির ও দুইজন বিশেষ সদস্য সচিবের নেতৃত্বে পরিচালনা।
- জবাবদিহিতা: মাশওয়ারার বাইরে কাজ হলে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।
সম্পূর্ণ নীতিমালা দেখুন
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
খিদমাতুল উম্মাহ সাংগঠনিক নীতিমালা ও পরিচালনা বিধি
ভূমিকা
খিদমাতুল উম্মাহ একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক, দ্বীনভিত্তিক সামাজিক ও সেবামূলক সংগঠন। আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জন, মানবকল্যাণ, দ্বীনি চেতনার বিকাশ, ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যকে সামনে রেখে এই সংগঠন পরিচালিত হবে।
সংগঠনের সকল কার্যক্রম কুরআন, সুন্নাহ, ইজমা ও উম্মাহর গ্রহণযোগ্য ইসলামী আদর্শের আলোকে পরিচালিত হবে। পারস্পরিক পরামর্শ, আমানতদারিতা, জবাবদিহিতা, ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য এবং ইনসাফ হবে সংগঠনের মূল ভিত্তি।
অধ্যায় ১: সাংগঠনিক কাঠামো
ধারা ১: প্রতিষ্ঠাতা সদস্য
- খিদমাতুল উম্মাহ-এর সকল ফাউন্ডিং মেম্বার বা প্রতিষ্ঠাতা সদস্য স্থায়ী শূরা সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ সংগঠনের আদর্শ, লক্ষ্য ও নীতিমালা সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।
ধারা ২: শূরা কমিটি
- শূরা কমিটি সংগঠনের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পরিষদ হিসেবে বিবেচিত হবে।
- সংগঠনের ছোট-বড় সকল গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত শূরা কমিটির পরামর্শ ও ফায়সালার মাধ্যমে গৃহীত হবে।
- প্রয়োজন অনুযায়ী যোগ্য, দ্বীনদার, ফিকিরবান ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে শূরা কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।
- প্রতি বছর নির্ধারিত সময়ে শূরা কমিটি পুনর্গঠন করা হবে।
- পূর্ণাঙ্গ শূরা কমিটি ১০-২০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে।
ধারা ৩: আমির ও বিশেষ সদস্য
- প্রতি বছর শূরা কমিটির মাধ্যমে একজন আমির বা কেন্দ্রীয় জিম্মাদার নির্বাচন করা হবে।
- আমিরের সহযোগিতার জন্য দুইজন বিশেষ সদস্য বা সচিব নির্বাচিত করা হবে।
- বাকি সদস্যগণ শূরা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
- আমির সংগঠনের সার্বিক তত্ত্বাবধান, সমন্বয় ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন।
ধারা ৪: সাধারণ সদস্য
- চালা গ্রামের সকল বাসিন্দা এবং খিদমাতুল উম্মাহ-এর সকল দাতা ও শুভাকাঙ্ক্ষী সংগঠনের সাধারণ সদস্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।
- সাধারণ সদস্যগণ সংগঠনের কার্যক্রমে অংশগ্রহণ, পরামর্শ প্রদান, স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে সহযোগিতা এবং গঠনমূলক মতামত প্রদানের অধিকার রাখবেন।
- সাধারণ সদস্যগণ শূরা কমিটির সদস্য না হলেও সংগঠনের কল্যাণমূলক কার্যক্রমে সহযোগী ও অংশীদার হিসেবে বিবেচিত হবেন।
- সংগঠনের মতবিনিময় সভা, উন্মুক্ত আলোচনা ও পরামর্শমূলক কার্যক্রমে সাধারণ সদস্যদের মতামত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে।
- সাধারণ সদস্যদের মধ্য থেকে যোগ্যতা, আমানতদারিতা, দ্বীনদারিতা, সক্রিয়তা ও সাংগঠনিক প্রয়োজনের ভিত্তিতে শূরা কমিটি বা বিভিন্ন দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।
ধারা ৫: দাতা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অধিকার
- সংগঠনের দাতা ও শুভাকাঙ্ক্ষীগণ নির্ধারিত সময়ে সংগঠনের কার্যক্রম ও আর্থিক প্রতিবেদন জানার অধিকার রাখবেন।
- স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি সাধারণ সদস্য ও দাতাদের সামনে উপস্থাপন করা হবে।
- দাতাগণের পরামর্শ ও গঠনমূলক সমালোচনা শূরা কমিটি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে।
অধ্যায় ২: সিদ্ধান্ত গ্রহণ পদ্ধতি
ধারা ৬: মাশওয়ারা
- সংগঠনের সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মাশওয়ারার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
- কোনো শূরা সদস্য বা সাধারণ সদস্য এককভাবে সংগঠনের পক্ষে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবেন না।
- মাশওয়ারা ও অনুমোদন ছাড়া গৃহীত যে কোনো সিদ্ধান্ত সংগঠনের দৃষ্টিতে বাতিল বলে গণ্য হবে।
- ফায়সালা গ্রহণের ক্ষেত্রে শূরা সদস্যদের কমপক্ষে ৭০%-৮০% সদস্যের মতামত গ্রহণের চেষ্টা করতে হবে।
- উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
ধারা ৭: জিম্মাদার নিয়োগ
- প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ, প্রকল্প বা কার্যক্রমের জন্য একজন দায়িত্বশীল জিম্মাদার নিয়োগ করা উত্তম।
- জিম্মাদার সংশ্লিষ্ট কাজের তত্ত্বাবধান, বাস্তবায়ন ও সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবেন।
- জিম্মাদার প্রয়োজন অনুযায়ী সহকারী বা উপ-দায়িত্বশীল নিয়োগের প্রস্তাব দিতে পারবেন।
অধ্যায় ৩: জিম্মাদারের দায়িত্ব ও ক্ষমতা
ধারা ৮
- কোনো কাজ, প্রকল্প বা বিষয়ে তাকাজা আসলে তা সংশ্লিষ্ট জিম্মাদারের নিকট প্রেরণ করতে হবে।
- জিম্মাদার প্রয়োজন মনে করলে শূরা কমিটির সাথে পরামর্শ করবেন।
- জরুরি পরিস্থিতিতে জিম্মাদার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবেন; তবে পরবর্তীতে শূরাকে অবহিত করবেন।
- জিম্মাদারের বৈধ ও শরিয়তসম্মত সিদ্ধান্ত সংগঠনের সকল সদস্য মেনে চলতে বাধ্য থাকবেন।
ধারা ৯: বিশেষ জিম্মাদার
- সংগঠনের আমির প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন প্রকল্প, বিভাগ বা কার্যক্রমের জন্য পৃথক জিম্মাদার নিয়োগ করতে পারবেন।
- যাকাত ফান্ড
- রমজান প্রকল্প
- ত্রাণ কার্যক্রম
- শিক্ষা ও লাইব্রেরি
- মসজিদ-মাদ্রাসা উন্নয়ন
- মিডিয়া ও প্রচার বিভাগ
- অর্থ ও হিসাব বিভাগ
- যুব ও স্বেচ্ছাসেবক বিভাগ
অধ্যায় ৪: ঘোষণা ও যোগাযোগ
ধারা ১০
- সংগঠনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা, বিবৃতি বা সিদ্ধান্ত প্রকাশের ক্ষমতা শুধুমাত্র আমির বা তার অনুমোদিত প্রতিনিধির থাকবে।
- অনুমতি ব্যতীত কোনো সদস্য সংগঠনের নামে ঘোষণা, প্রচারণা বা প্রতিশ্রুতি দিতে পারবেন না।
অধ্যায় ৫: শৃঙ্খলা ও সদস্যপদ
ধারা ১১
- শূরা কমিটির সিদ্ধান্ত অবমাননা, বিভ্রান্তি সৃষ্টি বা সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করা গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
- ফায়সালা হয়ে যাওয়ার পর ভিন্নমত থাকলে তা যথাযথ ফোরামে উপস্থাপন করা যাবে; তবে জনসম্মুখে সংগঠনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালানো যাবে না।
ধারা ১২: কারণ দর্শানোর নোটিশ
- মাশওয়ারার বাইরে সাংগঠনিক কাজ পরিচালনা করা, অনুমতি ছাড়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা বা নীতিমালা লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট সদস্যকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হবে।
- ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হলে শূরা কমিটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
- একই ধরনের অপরাধ বারবার সংঘটিত হলে শূরা সদস্যপদ স্থগিত বা বাতিল করা যেতে পারে।
ধারা ১৩
- ধারাবাহিকভাবে শূরা বৈঠক ও পরামর্শ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ না করলে সংশ্লিষ্ট সদস্যের শূরা সদস্যপদ পুনর্বিবেচনা করা হবে।
- যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া দীর্ঘ সময় অনুপস্থিত থাকলে শূরা কমিটির সিদ্ধান্তক্রমে সদস্যপদ বাতিল করা যেতে পারে।
- শূন্য পদে যোগ্য, দ্বীনদার, আমানতদার ও ফিকিরবান ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে।
অধ্যায় ৬: অর্থ ও আমানত
ধারা ১৪
- সংগঠনের সকল অর্থ আল্লাহর আমানত হিসেবে বিবেচিত হবে।
- সংগৃহীত অর্থ নির্ধারিত খাত ছাড়া অন্য কোনো খাতে ব্যয় করা যাবে না।
- যাকাত, সদকা, ফিতরা, সাধারণ দান ও বিশেষ প্রকল্পের অর্থ পৃথক হিসাবের মাধ্যমে পরিচালনা করা উত্তম।
- সকল আয়-ব্যয়ের লিখিত হিসাব সংরক্ষণ করতে হবে।
- নির্দিষ্ট সময় পরপর দাতা ও সদস্যদের নিকট আর্থিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করতে হবে।
ধারা ১৫: যাকাত ফান্ড
- যাকাত ফান্ড শরিয়তের নির্ধারিত খাতে ব্যয় করা হবে।
- যাকাতের অর্থ একত্রিত করে দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণমূলক ও স্বাবলম্বী প্রকল্প বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।
- সংগঠনের লক্ষ্য থাকবে প্রতিবছর অন্তত একজন বা একাধিক উপযুক্ত ব্যক্তিকে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা।
- যাকাত ফান্ডের হিসাব পৃথকভাবে সংরক্ষণ ও প্রকাশ করা হবে।
অধ্যায় ৭: আদর্শ ও মূল্যবোধ
ধারা ১৬
খিদমাতুল উম্মাহ-এর প্রতিটি সদস্য নিম্নোক্ত আদর্শ অনুসরণ করবে—
- ইখলাস: আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাজ করা
- তাকওয়া
- আমানতদারিতা
- শূরাভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ
- ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ব
- ইনসাফ ও ন্যায়বিচার
- স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা
- বিনয় ও পারস্পরিক সম্মান
- মানবসেবা ও দ্বীনি দায়িত্ববোধ
ধারা ১৭: সামাজিক আদর্শ
খিদমাতুল উম্মাহ এমন একটি সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করবে যেখানে—
- দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির কোনো স্থান থাকবে না।
- যোগ্য, সৎ ও আমানতদার নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে।
- অন্যায়ের প্রতিবাদ ও মজলুমের পক্ষে অবস্থান নেওয়া সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে বিবেচিত হবে।
- ইনসাফ, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা রক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টি করা হবে।
- ভালো মানুষদের ভালো কাজে সম্পৃক্ত করার পরিবেশ গড়ে তোলা হবে।
- যুবসমাজকে দ্বীন ও সমাজসেবামূলক কাজে সম্পৃক্ত করা হবে।
অধ্যায় ৮: নীতিমালা সংশোধন
ধারা ১৮
- প্রয়োজনবোধে শূরা কমিটি এই নীতিমালার কোনো ধারা সংশোধন, সংযোজন বা বিয়োজন করতে পারবে।
- গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনের ক্ষেত্রে শূরা সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামত গ্রহণ করতে হবে।
- কোনো সংশোধনী কুরআন, সুন্নাহ এবং সংগঠনের মৌলিক উদ্দেশ্যের পরিপন্থী হতে পারবে না।
সমাপনী ঘোষণা
খিদমাতুল উম্মাহ বিশ্বাস করে যে, পারস্পরিক শূরা, আমানতদারিতা, ইনসাফ ও দ্বীনি মূল্যবোধের ভিত্তিতে পরিচালিত একটি সংগঠনই সমাজে স্থায়ী কল্যাণ বয়ে আনতে পারে।
আমাদের অঙ্গীকার: “এসো ইনসাফের সমাজ গড়ি”আল্লাহ তাআলা আমাদের সকল কাজকে কবুল করুন, ইখলাস দান করুন এবং এই সংগঠনকে উম্মাহর কল্যাণের মাধ্যম বানিয়ে দিন। আমীন।
মানবিক সেবা
খাদ্য প্যাক, ইফতার, চিকিৎসা সহায়তা ও জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম।
ইসলামি শিক্ষা
লাইব্রেরি সহায়তা, মক্তব পুরস্কার ও ইসলাহী মাহফিল উদ্যোগ।
সমাজ উন্নয়ন
স্ট্রিট লাইট, মসজিদ সহায়তা, কবরস্থান আলোকায়ন ও বৃক্ষরোপণ।
স্বচ্ছ পরিচালনা
শূরা-ভিত্তিক সিদ্ধান্ত, প্রকল্প জিম্মাদার ও আর্থিক প্রতিবেদন।
সংগঠনের পরিচয়
শুধু অর্থ বিতরণ নয়, দায়িত্বশীল সমাজ গঠন
খিদমাতুল উম্মাহ শুধু অভাবগ্রস্ত মানুষের হাতে কিছু অর্থ তুলে দেওয়ার সংগঠন নয়। আমাদের লক্ষ্য হলো এমন একটি গ্রাম গড়ে তোলা, যেখানে দ্বীনি শিক্ষা শক্তিশালী হবে, সমাজ ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে এবং গ্রামের প্রতিটি মানুষ নিজেকে সমাজ পরিবর্তনের অংশীদার মনে করবে।
দান আমাদের কাছে একটি আমানত। তাই প্রতিটি প্রকল্পে দায়িত্বশীল জিম্মাদার, হিসাবের স্বচ্ছতা, শূরাভিত্তিক সিদ্ধান্ত এবং ফলাফলভিত্তিক প্রতিবেদনকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম
এখন পর্যন্ত জনকল্যাণমূলক কাজ
সম্পন্ন প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয়ের ভিত্তিতে জনকল্যাণমূলক কাজের হিসাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হয়।
- রমজানে ইফতার বিতরণ
- রমজান ফুড প্যাক
- দরিদ্র মানুষের সহযোগিতা
- মক্তবের ছাত্রছাত্রীদের নিয়মিত পুরস্কার
- ইসলামি লাইব্রেরির জন্য বই ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রদান
- দুর্যোগে ত্রাণ বিতরণ
- গ্রামের ঈদগাহ মাঠের জন্য পাটি প্রদান
- মসজিদ পুনর্নির্মাণে ছাদ ঢালাইয়ের সম্পূর্ণ সিমেন্ট প্রদান
- রাতে কবর খননের জন্য লাইটের ব্যবস্থা
- বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
- তিনটি ইসলাহী মাহফিল
- চিকিৎসা সহায়তার জন্য ক্রাউড ফান্ডিং
বর্তমানে চলমান প্রকল্প
দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই কল্যাণমূলক উদ্যোগ
যাকাত ফান্ড
এটি শুধু অর্থ বিতরণ নয়। লক্ষ্য হলো একজন অসহায় মানুষকে স্থায়ীভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা।
সহায়তা করুনসাধারণ ফান্ড
ইস্যুভিত্তিক ক্রাউড ফান্ডিংয়ের পাশাপাশি জরুরি চিকিৎসা, শিক্ষা, ত্রাণ, দ্বীনি কার্যক্রম ও সমাজকল্যাণমূলক প্রকল্পে ব্যবহার হবে।
ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবক সম্পৃক্ততা
প্রতি তিন মাসে ছাত্রছাত্রীদের পুরস্কার, অভিভাবকদের সম্মাননা, মতবিনিময় ও দ্বীনি সচেতনতা কার্যক্রম।
বৃক্ষ উপহার
প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে একটি করে চারা দেওয়া হবে। পরবর্তী বছর গাছটি জীবিত ও বড় হওয়ার প্রমাণ দেখাতে পারলে পুরস্কার দেওয়া হবে।
নিরাপদ ও আলোকিত পরিবেশ
গ্রামের রাস্তায় স্ট্রিট লাইট স্থাপন করে নিরাপদ ও আলোকিত পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগ।
প্রকল্প প্রকাশ ব্যবস্থা
সম্পন্ন প্রকল্প ও পরবর্তী প্রকল্প
এডমিন প্যানেল থেকে প্রকল্প প্রকাশ করলে এখানে সর্বশেষ সম্পন্ন প্রকল্প, সব প্রকল্পের আর্কাইভ এবং হাইলাইটেড পরবর্তী প্রকল্প স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেখাবে।
লাস্ট প্রকল্প
কমপ্লিট প্রকল্প
পরবর্তী পরিকল্পনা
পরবর্তী প্রকল্প
সকল কমপ্লিট প্রকল্প
ভবিষ্যৎ ভিশন
চ্যারিটি সংগঠন থেকে সমন্বিত সমাজ উন্নয়ন মডেল
ভবিষ্যতে খিদমাতুল উম্মাহ শুধু একটি চ্যারিটি সংগঠন থাকবে না; এটি দ্বীনি দাওয়াহ, সামাজিক নেতৃত্ব, শিক্ষা, যাকাত ব্যবস্থাপনা ও যুব নেতৃত্ব তৈরির একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে উঠবে।
ইসলামিক ক্যালেন্ডার
হিজরি ও ইংরেজি তারিখ একসাথে দেখুন
প্রতিদিনের আনুমানিক হিজরি তারিখ, গুরুত্বপূর্ণ ইসলামিক দিন এবং ইংরেজি তারিখ থেকে হিজরি তারিখ রূপান্তর। চাঁদ দেখার কারণে বাস্তব তারিখে ১ দিনের পার্থক্য হতে পারে।
যাকাত ক্যালকুলেটর
আপনার যাকাতের পরিমাণ সহজে হিসাব করুন
নগদ অর্থ, স্বর্ণ-রূপা, ব্যবসায়িক সম্পদ ও পাওনা যোগ করুন; প্রয়োজনীয় দায় বাদ দিন। নিসাব অতিক্রম করলে মোট যাকাত ২.৫% হিসেবে দেখাবে।
দান
আপনার সহায়তা একটি পরিবার, একটি মসজিদ, একটি গ্রামকে বদলে দিতে পারে
এটি প্রাথমিক দান ফর্ম। পরবর্তী ধাপে অনলাইন দান পাঠানো, রসিদ তৈরি এবং পরিচালনা পরিষদের অনুমোদন ব্যবস্থা যুক্ত করা যাবে।
- রসিদ নম্বর
- -
- তারিখ
- -
- দাতার নাম
- -
- মোবাইল নম্বর
- -
- ফান্ড
- -
- দান পাঠানোর পদ্ধতি
- -
- পরিমাণ
- -
আপনার দান গ্রহণের আবেদন তৈরি হয়েছে। প্রকৃত অর্থপ্রদান যাচাই শেষে অফিসিয়াল রসিদ অনুমোদন করা হবে।
লাইব্রেরি
আমাদের বইয়ের কালেকশন
খিদমাতুল উম্মাহ-এর লাইব্রেরিতে বর্তমানে কী কী বই আছে—এখান থেকে দেখা যাবে। বইয়ের তালিকা এডমিন প্যানেল থেকে আপডেট হবে।
শূরা পরিচিতি
চলমান শূরা কমিটির সদস্যগন
শুরা সদস্যগন পরামর্শক্রমে সংগঠন পরিচালনা করে থাকেন।
জবাবদিহিতা